হোম/জনসংখ্যা ও ওয়ার্ড

জনসংখ্যা ও ওয়ার্ড তথ্য

ওয়ার্ড-ভিত্তিক জনসংখ্যার বিন্যাস, ভোটার পরিসংখ্যান এবং জনতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ

সামষ্টিক জনতাত্ত্বিক রূপরেখা

ইউনিয়নের মোট জনসংখ্যা ও পরিবার সম্পর্কিত মূল পরিসংখ্যান

৪০,১৯৭

মোট জনসংখ্যা

২১,০৪৫

পুরুষ

১৯,১৫২

মহিলা

৫,৮৬০

মোট পরিবার

৬.৮৬

গড় পরিবার আকার

জাতীয় গড় ৪.০-৪.৫

প্রতি ১০০ নারীর বিপরীতে ১১০ পুরুষ

লিঙ্গ অনুপাত

৩৯.৩৭ বর্গ কি.মি.

মোট আয়তন

দাপ্তরিক রেকর্ড

৫,৪৩৪ একর

কৃষি জমি

ওয়ার্ড-ভিত্তিক জনসংখ্যা

নয়টি ওয়ার্ডের জনসংখ্যার বিন্যাস ও তারতম্য

০১

হাজিয়ান

২,৮৫৯

ফকিরাকিলপাড়া, আমতলীপাড়া, উত্তরপাড়া, মাদ্রাসাপাড়া, মধ্যমপাড়া

০২

দিগরপানখালী

২,৮১২

ধরপাড়া, হিন্দুপাড়া, বিদ্যালয়পাড়া, পূর্বপাড়া, মহাজনপাড়া

০৩

পুকপুকুরিয়া ও উচিতারবিল (আংশিক)

৫,২৩০

পশ্চিম পুকপুকুরিয়া, মৌলবীপাড়া, আতব্বরপাড়া, মাষ্টারপাড়া, মাতব্বরপাড়া

📝 পুকপুকুরিয়া (২,৪৫০) + উচিতারবিল আংশিক (২,৭৮০)

০৪

উত্তর ঘুনিয়া

২,৫২৬

জলদাশপাড়া, জারগনিয়াপাড়া, বড়ুয়াপাড়া, হিন্দুপাড়া, ধুপিপাড়া

০৫

দক্ষিণ ঘুনিয়া

২,৯৫০

নয়াপাড়া, পাহাড়পাড়া, বড়ুয়াপাড়া, মুহুরীকুল, বাজারপাড়া, পশ্চিমপাড়া

০৬

রাজারবিল

৩,৮৭৫

নয়াপাড়া, ডেইলপাড়া

০৭

সিকদারপাড়া

২,৮৯০

পশ্চিমপাড়া, সিকদারপাড়া, মাদ্রাসাপাড়া, ছড়ারকুল

০৮

খন্দারপাড়া ও উচিতারবিল (আংশিক)

৬,৯২০

মাষ্টার আলীপাড়া, ইসহাক মৌলবীপাড়া, দক্ষিণ সিকদারপাড়া, ছড়ারকুল

📝 খন্দারপাড়া (৪,৫৩০) + উচিতারবিল আংশিক (২,৩৯০)

০৯

দক্ষিণ ফাঁসিয়াখালী ও সাইরাখালী

১০,১৩৫

ভাঙ্গারপাড়া, আচুয়াপাড়াপাড়া, আসাদ আলী পাড়া, ঘোনারপাড়া, সাইরাখালী

📝 দক্ষিণ ফাঁসিয়াখালী (৬,১২০) + সাইরাখালী (৪,০১৫)

স্থানিক ভারসাম্যহীনতা

০৯ নম্বর ওয়ার্ডে ১০,১৩৫ জন বাস করে (মোট জনসংখ্যার ~২৫%), অথচ ০৪ নম্বর ওয়ার্ডে মাত্র ২,৫২৬ জন। এই চারগুণ ব্যবধান গণতান্ত্রিক প্রতিনিধিত্ব ও সম্পদ বন্টনের সমতাকে চ্যালেঞ্জ করে।

ভোটার পরিসংখ্যান

নির্বাচনী ভোটাধিকার ও লিঙ্গ বৈষম্যের বিশ্লেষণ

মোট ভোটার৩৭.৮৮%

১৫,২৩০

পুরুষ ভোটার৬০.৪৭%

৯,২১০

নারী ভোটার৩৯.৫৩%

৬,০২০

লিঙ্গ বৈষম্য বিশ্লেষণ

৩,১৯০

পুরুষ ভোটারের তুলনায় নারী ভোটার কম

পুরুষরা মোট জনসংখ্যার ৫২.৩৫% কিন্তু ভোটাধিকারপ্রাপ্তদের মধ্যে ৬০.৪৭% প্রতিনিধিত্ব করে।

নারীরা জনসংখ্যার ৪৭.৬৫% হলেও নিবন্ধিত ভোটারদের মাত্র ৩৯.৫৩%।

কারণসমূহ: জাতীয় পরিচয়পত্র প্রাপ্তিতে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, পিতৃতান্ত্রিক সীমাবদ্ধতা, এবং বাল্যবিবাহ-সংক্রান্ত সমস্যা।